সামনেই স্থানীয় নির্বাচন, চলতি বছরের শেষের দিকে হতে পারে সবচেয়ে কাঙ্খিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এরই মধ্যে অনেক প্রার্থী ব্যানার পোস্টারের মাধ্যমে জানান দিচ্ছেন নিজেদের উপস্থিতি। এ থেকে বাদ যায়নি ৮নং মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরাও।
১৩ বর্গ কিলোমিটারের বৃহৎ আয়তন কিশোরগঞ্জ সদরের এই মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের। ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার । কৃষি নির্ভর এ ইউনিয়নে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান । রয়েছে বিসিক শিল্প নগরী। তবুও এ এলাকার বাসিন্দারা রয়েছেন অবহেলিত। যোগাযোগ ব্যবস্থায় এ ইউনিয়নের দুটি সড়ক যুক্ত হয়েছে কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক মহাসড়কে। দুইটি রাস্তারই অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। গ্রামের ভিতরের রাস্তাগুলোর অবস্থা আরোও শোচনীয়। এ ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলছেন নির্বাচনের সময় অনেক প্রার্থী অনেক কিছু করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ পর্যন্ত কোন নির্বাচিত চেয়ারম্যান তেমন কিছুই করতে পারেন নি। তবে এবার প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি নয়, যিনি এ ইউনিয়নের নাগরিকদের জন্য জরুরি নাগরিক সেবা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গ্রামীন রাস্তার উন্নয়নসহ জবাবদিহিতামূলক কাজ করতে পারবেন তাকেই এবার বিবেচনায় নিবেন।
তাই এসব বিবেচনায় নিজ তাগিদে মারিয়া ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিবেন মো: আব্দুল আউয়াল বাবুল। তিনি মারিয়া ইউনিয়নের স্বল্পমারিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করা বাবুল পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী।
অবহেলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে চান, করতে চান টেকসই উন্নয়ন । প্রাপ্য সেবা পৌঁছে দিতে চান জনগনের দোড়গোঁড়ায়।
দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন, রাস্তা-ঘাট ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সকলের জন্য সমান সেবা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান ৮নং মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: আব্দুল আউয়াল বাবুল।
জনগনের এই গুরু দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তত মো: আব্দুল আউয়াল বাবুল। এখন শুধুই অপেক্ষা নির্বাচনের দেখার পালা সচেতন মারিয়া ইউনিয়নবাসী তাকে কতটুকু আপন করে নেয়।