• June 6, 2026, 1:37 am
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলে সচেতন নাগরিক ফোরামের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী টুকু ধামইরহাটে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল যুবকের জননেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে জাসদের শোক টাঙ্গাইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুব জোট নেতা অ্যাডভোকেট শারফুদ্দীন সোহেল ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে জাসদের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলের সড়ক দুর্ঘটনায় নওগাঁর ১৩ জন নিহত  পশুর সামনে পশু জবাই নিষিদ্ধ, আইনে আরও যা আছে রামিসা ধর্ষণ-হত্যাসহ  সারা দেশে শিশু কন্যা ধর্ষণ ও গুম, মবের সাথে যুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জাসদের মানববন্ধন সমাবেশ-বিক্ষোভ কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকের এমডি ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

ডিম ও মুরগির ন্যায্য মূল্যের দাবিতে এবং খাদ্য ঔষধ ও ভ্যাকসিনের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

সালেক হোসেন রনি, কিশোরগঞ্জ  45 জন দেখেছে
আপডেট : Sunday, April 12, 2026
ডিম ও মুরগির ন্যায্য মূল্যের দাবিতে এবং খাদ্য ঔষধ ও ভ্যাকসিনের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

দীর্ঘদিন ধরে  ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য পতনে দেশের পোল্ট্রি খাত এখন চরম সংকটে। উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম দামে  ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ায় প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। লোকসানের বোঝা বইতে না পেরে ইতোমধ্যে অনেক খামারি খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে পুরো খাতটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

‎এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা আজ রবিবার দুপুরে প্রান্তিক খামারিদের নিয়ে   জেলা প্রশাসকের কার্যালয়  সামনে  মানববন্ধন করে। পরে খামারিরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

‎এতে বক্তব্য রাখেন  বাংলাদেশ পোল্ট্রি  ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সাদিকুর রহমান, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

‎খামারিদের দাবি, বর্তমানে তারা প্রতি ডিম ৬.৫০ থেকে ৭ টাকায় বিক্রি করছেন, অথচ উৎপাদন খরচ পড়ছে প্রায় ৯থেকে ১০টাকা। এতে প্রতি  ডিমে ২.৫০ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। টানা প্রায় ১০ মাস ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকায় তাদের পক্ষে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি শুধু বাজার সংকট নয়; বরং দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। দেশের মোট ডিম উৎপাদনের প্রায় ৮০ থেকে ৮২ শতাংশই আসে প্রান্তিক ও মাঝারি খামারিদের কাছ থেকে। তারা উৎপাদন বন্ধ করে দিলে ভবিষ্যতে ডিমের তীব্র সংকট তৈরি হতে পারে এবং দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

‎খামারিদের অভিযোগ, পোল্ট্রি ফিড, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের দাম ডলারের অজুহাতে বারবার বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়েছে। কিন্তু বাজারে ডিমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত না হওয়ায় তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

‎অনেকেই খামার বন্ধ করে দিচ্ছে।”তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার দখল করে নিতে পারে, যা একচেটিয়া ব্যবসার ঝুঁকি তৈরি করবে এবং ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে।

‎এ পরিস্থিতিতে খামারিরা প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ডিমের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ, ক্ষুদ্র খামারিদের জন্য প্রণোদনা ও ভর্তুকি প্রদান এবং পোল্ট্রি ফিডে বিশেষ সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ